





যবের রুটি : সহজে হজম হয়, শরীরের বল ও শুক্র বৃদ্ধি করে, কফ নাশ করে, বায়ু ও মল বৃদ্ধি করে। যবের ছাতু : সহজে হজম হয়, শরীর ঠাণ্ডা করে, বল ও পুষ্টি বৃদ্ধি করে, শুক্র বৃদ্ধি করে, শ্রান্তি, দেহের ঘাম, শরীরের দাহ (জ্বালা)
Weight :
যবের রুটি : সহজে হজম হয়, শরীরের বল ও শুক্র বৃদ্ধি করে, কফ নাশ করে, বায়ু ও মল বৃদ্ধি করে। যবের ছাতু : সহজে হজম হয়, শরীর ঠাণ্ডা করে, বল ও পুষ্টি বৃদ্ধি করে, শুক্র বৃদ্ধি করে, শ্রান্তি, দেহের ঘাম, শরীরের দাহ (জ্বালা)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে পেটের আলসারে ভোগা রোগীদের সকালের নাস্তায় তালবিনা দেওয়া হতো, যা ছিল তখনকার সময়ে একটি উন্নত মানের চিকিৎসা পদ্ধতি। এই খাবার নিয়মিত গ্রহণের ফলে ২-৩ মাসের মধ্যেই রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠতেন। এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য যবের আটা / ছাতু একটি অত্যন্ত কার্যকর প্রাকৃতিক
যবের আটা : যব এক ধরনের শস্য দানা। যব শুকিয়ে ভেঙ্গে আটা তৈরী করা হয়। পুষ্টি গুনে ভরপুর হওয়া আটার উপকারিতা অনেক বেশি। এতে প্রচুর পরিমানে খনিজ প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে।
উপকারিতাঃ 👉 হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 👉 রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।
👉 মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করে।
👉 ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রন করে। 👉 শরীর ঠান্ডা রাখে ও শক্তি বাড়ায়।
👉 কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর কর। ফাইবার বা খাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ খাবার।
1.যবের আটা (Barley Flour) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বেশ উপকারী হতে পারে। কারণ এতে উচ্চমাত্রায় আহারযোগ্য আঁশ (dietary fiber) রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় যবের আটা আপনাকে সুস্থ থাকতে সহযোগিতা করবে।
2. লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) : যবের আটার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) কম হওয়ায় এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়ায়, ফলে ইনসুলিনের চাহিদা কম থাকে।
3. বেটা-গ্লুকান (Beta-Glucan) সমৃদ্ধ : যবের আটায় থাকা বেটা-গ্লুকান ফাইবার শরীরে গ্লুকোজের শোষণ ধীর করে, যা রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।
4. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক : যবের আটা খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হয়, ফলে অযথা অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
5. হজমের সহায়ক : এতে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
6. যবের আটা ব্যবহারের উপায় :
7. রুটি/পরোটা: গমের আটার পরিবর্তে বা মিশিয়ে রুটি বানানো যেতে পারে।
8.প্যানকেক/চিলা: যবের আটার প্যানকেক বা চিলা তৈরি করা যায়।
কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক।
পেটের জ্বালাপোড়া কমায়।
হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।
রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ায়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
কিডনি রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
অসুস্থ ও দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য শক্তিদায়ক পথ্য হিসেবে কাজ করে।
শিশুদের প্রয়োজনীয় ফাইবার, প্রোটিন এবং খনিজ সরবরাহ করে।
প্রোটিন: ২০.৬%
ফ্যাট: ৭.২%
ফাইবার: ১.৩৫%
কার্বোহাইড্রেট: ৬৫.২%
ভুসি: ২.৭%
moisture: ২.৯৫%
ক্যালোরি: ৪০৬
সোডিয়াম: ২ মিলিগ্রাম
ম্যাঙ্গানিজ: ১ মিলিগ্রাম
এছাড়াও, যবের ছাতুতে মালটোজ, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, লেসিথিন, এল্যান্টোয়েন, অ্যামাইলেস এবং ভিটামিন বি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বাছাইকৃত যবের দানা থেকে প্রস্তুতকৃত।
কোনো প্রকার ভেজাল বা অন্য উপাদান মেশানো হয় না।
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি।
পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও দেশীয় পণ্যের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।








Choose an option below